1. alimsnb0@gmail.com : Abdul Alim :
  2. zunaid365@gmail.com : Engineers Voice :
  3. robinsnb18@gmail.com : Robin :
অর্থপাচার বন্ধে নতুন উদ্যোগ - Engineers Voice
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়েটের ‘ল্যাব এ্যাটেনডেন্ট’, ‘অফিস এ্যাসিস্টেন্ট কাম ডাটা প্রসেসর’ ও ‘অফিস সহায়ক’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত চুয়েটে জমকালো আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন দুই লাখ টাকার শুল্ক কর হলেই ই-পেমেন্ট বাধ্যতামূলক “আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২১” উপলক্ষে স্টার্টআপদের নিয়ে আইসিটি বিভাগের iDEA এর বিশেষ সেমিনার চুয়েটে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপিত “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে বাঙালী স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়” -কুয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর সৃজনশীল বিনোদন-কনটেন্ট তৈরি করতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান চুয়েটের সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য ও অ্যালামনাই প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে চুয়েট ভিসির শোক প্রকাশ চুয়েটে তিনদিনব্যাপী পুরকৌশল বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সম্পন্ন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব বর্ষ উপলক্ষে যবিপ্রবির মাসব্যাপী কর্মসূচি

অর্থপাচার বন্ধে নতুন উদ্যোগ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বৈদেশিক বাণিজ্যের আড়ালে অর্থপাচারের ঘটনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিবছর বাংলাদেশের যে বাণিজ্য (আমদানি-রপ্তানি) হচ্ছে, এর ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ অর্থই বিদেশে পাচার হচ্ছে, যা মোট পাচারের ৮০ শতাংশ। ওভার ইনভয়েসিং (আমদানিতে মূল্য বেশি দেখানো) এবং আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের (রপ্তানিতে মূল্য কম দেখানো) মাধ্যমে এসব অর্থ পাচার হয়।

সূত্র জানিয়েছে, অর্থপাচার বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে পাচার করা অর্থের প্রত্যক্ষ করের পাশাপাশি পরোক্ষ কর আদায়ের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ জন্য কাস্টমস ও ভ্যাট আইন সংশোধনসহ বিদেশি রাজস্ব আদায়কারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে চুক্তির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে পাচার করা অর্থের ওপর জরিমানাসহ আয়কর আদায়ের বিধান রয়েছে। পাচার অর্থ বা সম্পদের ওপর ট্যাক্স রিকভারি বা কর আদায়ের কর্মকৌশল নিয়ে ইতোমধ্যে দুদক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিআইডি, এনবিআর ও শুল্ক গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের পর পাচার করা অর্থের ওপর প্রত্যক্ষ কর বা আয়করের পাশাপাশি পরোক্ষ কর (শুল্ক ও ভ্যাট) আদায়ের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা।

চিঠিতে বলা হয়, যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পরোক্ষ কর ফাঁকির মাধ্যমে অর্থপাচার করেছে, তা ফেরত আনার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শুল্ক ও ভ্যাট আদায় করা যেতে পারে। যেসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাটের আওতায় নিবন্ধিত, তাদের ক্ষেত্রে প্রকৃত বিক্রয় প্রদর্শন না করে অর্থপাচারের সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় এনবিআরের তদন্তাধীন অধিকাংশ মামলাই শুল্কসংক্রান্ত অপরাধ। মূলত আমদানি বা রপ্তানির ক্ষেত্রে ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে থাকে। এগুলোর বিপরীতে ভ্যাট বা শুল্ক কিংবা দুটোই ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। তা ফেরত আনার বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন দেশের কাস্টমস বিভাগের সঙ্গে এনবিআর পারস্পরিক সমঝোতা চুক্তি করে থাকে। এসব চুক্তিতে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থের ওপর পরোক্ষ কর আদায়ের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। ভ্যাটের ক্ষেত্রে অনুরূপভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যম পাচার করা অর্থের ওপর ভ্যাট আদায়ের সম্ভাবনা যাচাই করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত চলতি অর্থবছরের বাজেটে আয়কর অধ্যাদেশে পাচার করা অর্থের ওপর কর আদায়ের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতার দাখিল করা আয়কর বিবরণীতে আমদানি-রপ্তানি প্রদর্শন করলে গৃহীত বা পরিশোধিত অর্থের সঙ্গে প্রকৃত লেনদেনের পার্থক্য থাকলে ওই পার্থক্যের ওপর ৫০ শতাংশ কর আদায় করা হবে। একইভাবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিবরণীতে প্রদর্শিত ও প্রকৃত বিনিয়োগের পার্থক্য থাকলে তার ওপর ৫০ শতাংশ কর আদায় করা হবে।

প্রসঙ্গত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্যমতে, বাণিজ্যের আড়ালে ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিং মাধ্যমে ৮০ শতাংশ অর্থপাচার হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিবছর বাংলাদেশের যে বাণিজ্য (আমদানি-রপ্তানি) হচ্ছে, তার ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ অর্থই বিদেশে পাচার হচ্ছে। দেশ থেকে যেসব টাকা পাচার হয়, তার বড় অংশই যায় উন্নত ৩৬ দেশে। এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ৪৬০ কোটি ডলার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জানান, করোনায় অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। এ অবস্থার উত্তরণে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অর্থপাচার বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধসহ আর্থিক খাতের অপরাধ যাতে বন্ধ হয়, সেই পদক্ষেপ জরুরি। শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানির আড়ালে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। কেননা আগে যেভাবে শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছে, ওইভাবে শিল্পায়ন হয়নি। পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে টাকা পাচার বন্ধে ব্যাংকগুলোকে প্রচলিত নীতিমালা মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি বাড়াতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ ইঞ্জিনিয়ার্স ভয়েস: ২০১৭-২০২১ --- “ইঞ্জিনিয়ার্স ভয়েস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com