1. alimsnb0@gmail.com : Abdul Alim :
  2. zunaid365@gmail.com : Engineers Voice :
  3. robinsnb18@gmail.com : Robin :
করোনাকালে ঋণ শোধে অনন্য কৃষক - Engineers Voice
সংবাদ শিরোনাম :
সবাইকে ডিজিটাল সৈনিক হওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ আন্ত:বিশ^বিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশন-এর সাথে কুয়েট অফিসার্স এসোসিয়েশনের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে কুয়েটের অফিসার্স এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন চুয়েট ভিসির সাথে নবগঠিত চুয়েট ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ The Civil Engineering Handbook Communication Systems – 4th Edition (Simon Haykin) চুয়েটের সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার (IEEE CS BDC) এর ভাইস-চেয়ার নির্বাচিত আমেরিকান কংক্রিট ইনস্টিটিউট (এসিআই), চুয়েট শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন যবিপ্রবিতে ইনস্টিটিউশনাল রিপোসিটরি প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন যুক্তরাষ্ট্রের সাফারি পার্কের ৮টি গরিলা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

করোনাকালে ঋণ শোধে অনন্য কৃষক

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
Paddy Cuttuing

যখন বড় বড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঋণ আদায়ে গলদঘর্ম অবস্থা ব্যাংকগুলোর, তখন ঋণ পরিশোধের অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করে চলেছেন দেশের কৃষকরা।

করোনায় পুরো অর্থনীতি যেখানে বিপর্যস্ত, সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) ৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা ঋণ শোধ করেছেন তারা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আদায় বেড়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে কৃষিঋণ আদায় হয়েছিল ৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ করা পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল হাকিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কৃষিঋণ আদায় বাড়ানোর বিষয়ে ব্যাংকগুলোর প্রতি চাপ নেই। বরং আমরা বিতরণ বাড়াতে চাপ দিচ্ছি।‘

তার মতে, কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায়, আদায় বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ’কৃষকদেরকে ঋণ দিতে অনেক ব্যাংক অনীহা থাকে। কিন্তু এরা ঋণ ফেরতের দিক দিয়ে এগিয়ে। কারণ তারা ক্ষমতাহীন।

‘টাকা ফেরত না দিলে ঠিকেই বিপদে পড়বে। এই ভয়ে তারা টাকা দিয়ে দেয়। কিন্তু শিল্প খাতে বড় বড় ঋণ খেলাপি হয়ে যাচ্ছে। এগুলোর বেশির ভাগই জালজালিয়াতি করে টাকাগুলো বের করে নেয়া হয়েছে। এর অনেক শক্তিশালী। তফাতটা এখানেই।’

বন্যা কবলিত এলাকায় কৃষি ঋণ আদায় বন্ধ রাখার পরও, আদায়ের এ চিত্র নিঃসন্দেহে প্রসংশার দাবি রাখে।

চলতি বছরের ২৩ জুলাই বন্যা কবলিত এলাকায়, পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কৃষিঋণ আদায় স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চালু রাখতে বলা হয়, নতুন ঋণ বিতরণ কর্মসূচিও।

এ সময়ে নতুন করে ছয় হাজার ৬২৯ কোটি টাকা ঋণ পান কৃষকরা, যা বছরের লক্ষ্যমাত্রার ২৫ দশমিক ২২ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে টাকার অঙ্কে যা ৩১৮ কোটি টাকা বেশি।

চলতি অর্থবছরে ৫৯টি ব্যাংকের ২৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শস্য উৎপাদনে তিন হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। পাশাপাশি সেচ যন্ত্র কিনতে ৫৬ কোটি টাকা, কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে ৪২ কোটি টাকা, পশুপাখি ও হাঁস মুরগি পালনে ১ হাজার ৬৫ কোটি টাকা, মাছ চাষে ৭২৪ কোটি টাকা, শস্য সংরক্ষণ ও বিপণনে ৪০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ব্যাংকগুলো।

এছাড়া দারিদ্র্য বিমোচন ও অন্যান্য খাতে পল্লি ঋণ বিতরণ হয়েছে এক হাজার ১৫৭ কোটি টাকা।

বর্তমানে ব্যাংক খাতে কৃষিঋণের স্থিতি বা পরিমাণ ৪৩ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংক ছয় হাজার ৯০৬ কোটি টাকা। কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা।

মূলধারার কৃষিঋণের পাশাপাশি বর্তমানে কৃষিখাতে চার শতাংশ সুদে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায়ও কৃষিঋণ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। তবে এ খাতের ঋণ বিতরণে অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ ইঞ্জিনিয়ার্স ভয়েস: ২০১৭-২০২১ --- “ইঞ্জিনিয়ার্স ভয়েস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com